Wednesday, April 12, 2017

হতাৎ করে ঘুম উধাও, ভোর ৪টা রাস্তা ফাকা, তারপরও দু'জন আছে।
যারা সৃষ্টিকর্তার কর্ম কর ছে।  যখন তাদের কর্ম  ক্ষেত্রে কর্ম করার ক্ষমতা শেষ হবে তখন আর কিছু করার থাকবেনা। মনে মনে ভাবছি আর হেটেই চলেছি। কি যেনো একটা শব্দ চারিদিক।  পা কি করে নরছে নিজের পা তার ক্ষমতা হাড়িয়ে পরে রইলাম। আমাকে  যেথে হবে কি করে ঐদূর অনেক দূর যেখানে যাইনি কখনও কিন্তু যেতে হবে। একবারই যাবো শুধু একবার, আর ফিরবো না বলেই যাবো। চোখ দু'টো বন্ধ হয়ে আসছে বলেই যাবো। যেতেই হবে।

বৃষ্টির পানিও একদিন বাষ্প হয়ে উড়ে যেতে পারে।
আবার নতুন করে বৃষ্টি হবে বলে। মানুষের জীবনও ঠিক একই রকম দুঃখ গুলো চলে যায় পুনঃরায় আসবে বলে।


ছায়ার পিছনে ছুটছি প্রতিনিয়তই
ভাবছি আমার শেষ যদি থাকে
ছায়ার শেষ থাকবে না কেন?
আমি চলে গেলেই আমার ছায়া চলে যাবে।
আমি আছি বলেই আমার ছায়া আছে।


আজ না হয় আমি ছিলাম
কাল কি হবে।
নিজে নিজে শিখতে হবে,
নয়তো একা রবে।

চলার পথে তোমার সাথে
অনেক যাত্রি পাবে।
লিখে রেখো  দু' এক জন
তোমার সাথী হবে।

ভিজবে বলে তোমার সাথে
দেখা আমার হবে
হোক না দুজন দুদেশে তে
স্মৃতি নাহি রবে।
--------জল সঙ্গি ।

আমরা পারি নাই।

ধন্যবাদ মান্না তুমাকে। তুমি ছুটো হলে কি হবে তুমার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখার আছে। কি করে কমিটি ছাড়াও প্রোগ্রাম করা যায় তা তুমি শিখালে। সেই সকল ব্যক্তিদের বলছি শিখুন আপনারা যারা কমিটির জন্য চিৎকার দিয়ে পুনর্মিলন প্রোগ্রাম বাতিল করছেন।  আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিৎ। কয়েকজন দশম শ্রেণীর ছাত্র কি করে অনেক টাকার বাজেটের প্রোগ্রাম করে। কাজ করতে হলে কর্মীর প্রয়োজন নেতার না!
আর সেই সকল শিক্ষকদের বলছি আপনাদের কাছ থেকেও অনেক কিছু শিখার আছে যা আগে বুঝিনি বা শিখিনি, "বড়দের কোনো মর্যাদা নাই ছোটদের চাহিদা কে মর্যাদা দেওয়া উচিৎ" বাহ বাহ বাহ!! ভালই শিক্ষা দিলেন।  ধন্যবাদ আপনাকে এই শিক্ষা দেওয়ার জন্য।
আমাদের লজ্জা হচ্ছে। আপনার বিদ্যালয়ের নথিসমূহ ২০০৯ এর ব্যাচ কে দিন কোনো কমিটির প্রয়োজন হবে না পূনর্মিলনি অনুষ্টান হবেই হবে
 ইন সা আল্লাহ।